প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, কোনো দেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেয়, তাহলে তাদের বিমানবন্দরেও বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেজায়ি বলেন, ইরানি ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের চলাচলে বাধা দেওয়া, ইরানি ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করা কিংবা আকাশপথে ইরানের পণ্য আমদানি সীমিত করার পদক্ষেপ তেহরান মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সীমিত করবেন, আমাদের ফ্লাইট চলতে দেবেন না, আকাশপথে আমাদের পণ্য আমদানি বন্ধ করবেন, আমেরিকানদের সঙ্গে আঁতাত করবেন— আর আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখব, এটা হতে পারে না।”
এর আগে ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বিমান চলাচল-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। এর প্রভাব হিসেবে ইরানের সঙ্গে কয়েকটি দেশের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। তবে কিছু দেশ এখনো ইরানি বিমানকে বিমানবন্দর ও অন্যান্য পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে জাতিসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ইরানের যোগাযোগ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়েও মন্তব্য করেন রেজায়ি। তাঁর দাবি, এসবকে প্রকৃত আলোচনা বলা যায় না; বরং বিভিন্ন পক্ষ কেবল তাদের শর্ত ইরানকে জানিয়ে দিয়েছে।
রেজায়ি বলেন, শর্ত বাড়ানো বা কমানোর বিষয়ে নতুন কোনো প্রস্তাব আসেনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না। বিবিসি

