সীমান্তে পুশইন রোধে ৫৬ বিজিবি নীলফামারী ব্যাটালিয়নের কঠোর নজরদারি

এশিয়া বাংলাদেশ সাম্প্রতিক
শেয়ার করুন

সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সম্ভাব্য পুশইন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ৫৬ বিজিবির নীলফামারী ব্যাটালিয়ন। নীলফামারী ও পঞ্চগড় জেলার সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি দিন-রাত টহল জোরদার করা হয়েছে।

৫৬ বিজিবির নীলফামারী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ৫৬ বিজিবি। নীলফামারী ব্যাটালিয়নের আওতাধীন নীলফামারী ও পঞ্চগড় জেলার সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। রাতের সুরক্ষায় শক্তিশালী টর্চলাইট, নাইট ভিশন গ্লাসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে বিজিবি সদস্যরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিবিড় নজরদারি ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তিনি আরো জানান, সম্প্রতি দেশে কোরবানির ঈদ হয়েছে। তাই কোরবানি পশুর চামড়া যাতে অবৈধভাবে ভারতে পাচার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে। অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণকে সতর্ক করতে ও দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের সহায়তা করতে সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

ব্যাটালিয়নের অধীনে নীলফামারী ও পঞ্চগড় জেলার ১৯টি বিওপি ক্যাম্পে জনবল বৃদ্ধি করে টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দিনরাত পাহারা দিচ্ছেন। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিভিন্ন প্রকার পর্যবেক্ষণ সরঞ্জাম, যেমন- হ্যান্ডমাইক, বাঁশি, টর্চলাইট এবং সার্চলাইট দ্বারা পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নাইট ভিশন গ্লাসের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় নিবিড় নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের গতিবিধির উপর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এসব এলাকার জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পুশইন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে। সীমান্তে যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে আমরা সর্বদা সজাগ রয়েছি- বললেন লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম। বাসস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *