বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী গ্রাহক পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য দেওয়া এক বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী গ্রাহক পরিষদের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিআইপি গোলাম মর্তুজা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও লেখক মাহমুদুর রহমান সুমন, পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি ব্যারিস্টার আতাউর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাংবাদিক বদরুজ্জামান বাবুল, জুবাইর আহমদ, আরিফুর রহমান প্রমুখ।
বিবৃতিতে তারা বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছেন। বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ভোগান্তি ও হয়রানি বন্ধে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
বিবৃতিদাতাদের অভিযোগ, বিমানবন্দরের এসব সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক হয়রানি হিসেবে দাবি করে এর প্রতিবাদ জানান।
তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে কোনো অপরাধ করেননি। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, রিমান্ডের আদেশ বাতিল এবং তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিমানবন্দরে প্রতিদিন প্রবাসীদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সংসদ সদস্যসহ সাধারণ যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বিমানবন্দরের সেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিদাতারা বলেন, “মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান প্রবাসীদের হয়রানি ও বিমানবন্দরের অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। এ ধরনের অভিযোগের তদন্ত ও সমস্যার সমাধান না করে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মামলা ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে হয়রানি করা উচিত নয়।”
তারা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং তাকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

