‘বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিন’ ঢাকা বিভাগীয় সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী আমলে মুফাসসিররা স্বাধীনভাবে তাফসির করতে পারেন নি। ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় বাকস্বাধীনতা ও ধর্মীয় প্রচারের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এই দেশে ইসলামী রাষ্ট্র হবে- বিরোধীরা তা সহজভাবে মেনে নেবে না। তাদের মোকাবেলা করার সামর্থ্য আমাদের থাকতে হবে এবং আমরা সফল হবো ইনশাআল্লাহ।

হাসিনা এভাবে পালিয়ে যাবে তা কি কেউ ভেবেছে? দেশে ও বিদেশে কোন রাষ্ট্র বিজ্ঞানী এমনটি ভেবেছেন বলেও জানা যায়নি উল্লেখ করে জননেতা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, এটা কেবল আল্লাহর ইশারায় হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের ঢাকা বিভাগীয় সম্মেলন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

ঢাকা বিভাগীয় সভাপতি মাওলানা আব্দুল মান্নান আনসারীর সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ নাসির উদ্দিন হেলালীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ মাসজিদ মিশনের জেনারেল সেক্রেটারি ড.খলিলুর রহমান মাদানী, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আব্দুল হামীদ, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা অধ্যাপক নুরুল আমীন এমপি, মাজলিসের সিনিয়র জেনারেল সেক্রেটারী মাওলানা ফখরুদ্দীন আহমাদ, কর্মপরিষদ সদস্য বিশিষ্ট আলেম মাওলানা ড. আব্দুস সামাদ, বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন ও গবেষক মুফতী আলী হাসান উসামা সহ বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ।
নির্ধারিত সময়ের আগেই হলরুম কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। অতিথিবৃন্দ ওয়াজের ময়দানে সতর্ক সাবধানে কথা বলা, ওয়াজের মঞ্চকে বিতর্ক মুক্ত রাখা, ওয়াদা রক্ষা করা, একইদিনে একাধিক মাহফিল না রাখা, অহংকার মুক্ত থাকা, ওয়াজের মঞ্চ থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে বিশোদগার না করা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
সম্মেলনে বক্তাদের ভোটে আগামী তিন বছরের জন্য বিভাগীয় সভাপতি ও জেলা সভাপতি নির্বাচন করা হয়। অধ্যক্ষ মাওলানা মুশাররফ হুসাইন, মুফতি আলী হাসান ওসামা ও মাওলানা ফখরুদ্দীন আহমাদের সমন্বয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করে ফলাফল ঘোষণা করেন।


