মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিয়েছে যে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না। আর যদি ইসলামাবাদে কোনো চুক্তি হয়, তাহলে “আমি হয়তো নিজেও সেখানে যেতে পারি।”
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের বাইরে এক সাংবাদিক মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কি ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে পাকিস্তানে যাবেন? জবাবে তিনি পাকিস্তানের প্রশংসা করে বলেন, “আমি হয়তো যাব, হ্যাঁ। যদি ইসলামাবাদে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়, আমি হয়তো যাব। ফিল্ড মার্শাল (আসিম মুনির) চমৎকার, প্রধানমন্ত্রী (শেহবাজ শরীফ) পাকিস্তানে সত্যিই অসাধারণ। তাই আমি হয়তো যাব। তারা আমাকে চায়।”
প্রেসিডেন্টের এই দাবির বিষয়ে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়েছে।

লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় ইসরায়েলে অসন্তোষ
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সাথে তিনি ঘোষণা দেন ইসরায়েল ও লেবানন “সম্ভবত আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করবে।
হেজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি মেনে চলতে সম্মত হয়েছে, তবে শর্ত দিয়েছে যে, এতে “লেবাননের সমগ্র ভূখণ্ড জুড়ে হামলা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ” করতে হবে এবং “ইসরায়েলি বাহিনীর অবাধ চলাচল নিষিদ্ধ” করতে হবে।
অন্যদিকে একটি প্রভাবশালী ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মাত্র পাঁচ মিনিটের নোটিশে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকেন। সেই বৈঠক থেকে ফাঁস হওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, মন্ত্রীরা যুদ্ধবিরতি বিষয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি।
অনেকের কাছে এটি আবারও এমন একটি উদাহরণ, যেখানে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন—যদিও শর্ত বা সময় ইসরায়েলের পছন্দমতো নয়। বিবিসি, ইপিএ ও রয়টার্স

