ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তার জন্মভূমি মাশহাদে দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) ইমাম রেজার (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। মাশহাদের প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে লাখো মানুষের ঢল নামে। সুসজ্জিত একটি ট্রাকে করে কফিন ধীরগতিতে মাজারের দিকে নেওয়া হয়। পথে লাখো মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
তীব্র গরম উপেক্ষা করে দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক শোকাহত মানুষ। পুরো শহরজুড়ে শোকের আবহের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে প্রতিশোধের স্লোগানও শোনা যায়। শেষ পর্যন্ত লাখো মানুষের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন অনুষ্ঠান।
রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লাখো শোকার্ত মানুষের চোখে-মুখে ছিল গভীর শোকের ছায়া। কালো পোশাকে আবৃত এই বিশাল শোকমিছিলে উপস্থিত জনতা ইরানের জাতীয় পতাকা, মরহুম আয়াতুল্লাহ খামেনির ছবি এবং নানা স্লোগানসংবলিত লাল রঙের প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করছিলেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসনের প্রথম দিন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শহীদ হন। এরপর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়। একই হামলায় তিনিও গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

