অর্থ পাচার মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় রাম মূর্তি নির্মাণের মূল উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরুণী দাসকে গ্রেপ্তার করেছে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) পুলিশ।
রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালি মন্দির এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডি পুলিশ ঢাকার উত্তরা (পশ্চিম) থানার একটি মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।
হরিদাস চন্দ্র পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে ভারতে চলে যায়। তারপর মাঝে মাঝে আসলেও ২০২৫ সালে রাম মূর্তি নির্মাণ কাজ শুরু করে আলোচনায়। এসব নির্মাণ কাজের অর্থের উৎস ও মতলব নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এই মূর্তি অপসারন ও তাকে গ্রেপ্তার এবং এসব কাজে অর্থের অনুসন্ধানের দাবিতে পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর জানা যায়, ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও র্যাব যৌথ অভিযানে রাজধানীর বনানী থেকে হরিদাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের প্রটোকল অফিসারের ভূয়া পরিচয়ে বদলি বানিজ্য, টেন্ডারবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গণমাধ্যমের খবরে আরো জানা যায়, ২০১৯ সালে সে ধর্মান্তরিত হয়ে তাওহীদ ইসলাম নাম গ্রহণ করে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকায় কিছু জমি কেনে। পাশাপাশি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের প্রটোকল অফিসার পরিচয় দিয়ে বদলি বানিজ্য, টেন্ডারবানিজ্য ও প্রতারণা শুরু করেন।

