জীবনঘুড়ির আকাশ দেখা ।। সাজজাদ হোসাইন খান

ষোল. পূজাটুজা শেষ। হৈ হাংগামাও নাই মাঠে। স্কুলও বন্ধ। রোজা-পূজা মিলেঝিলে বেশ লম্বা ছুটি। সময় আর হাঁটতে চায় না। খেলাধুলায় কতো আর ডুবে থাকি। স্কুল নাই, পড়ালেখায়ও মন বসিবসি করে উঠে যায়। আব্বা-আম্মাও কি নিয়ে যেনো ফিসফাস করেন ইদানিং। তাদের ফিসফাস আমাকে ভাবনায় ফেলে। আবার কি ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে কে জানে। ঢাকা ছেড়ে আসার আগেও […]

বিস্তারিত পড়ুন

জীবনঘুড়ির আকাশ দেখা ।। সাজজাদ হোসাইন খান

এগার. অপেক্ষার রাত ফুরাতে চায় না। সকাল হলো অবশেষে। অন্যান্য দিনের মতো অফিসে রওয়ানা দিলেন আব্বা। আর ত্বর সইছে না। কখন বাইরে যাবো কখন নতুন বলটি বন্ধুদের দেখাবো সেই চিন্তা মাথায় কিলবিল করছিল। আম্মার অনুমতি নিয়ে বাসার বাইরে এলাম। তবে ওয়াদা করতে হলো মাঠের সীমা যেন অতিক্রম না করি। সামনের জানালাটা খুলে রাখলেন। এ জানালায় […]

বিস্তারিত পড়ুন

জীবনঘুড়ির আকাশ দেখা ।। সাজজাদ হোসাইন খান

সাত. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘাটুরা আমাদের গ্রামের বাড়ি। দাদা দাদিরা থাকেন, চাচা ফুপুরা থাকেন। সেখানেই যাচ্ছি আমরা। রাস্তাঘাট একেবারেই ফাঁকাফাঁকা। গাড়িটারির নাম নিশানা নেই। হঠাৎ হঠাৎ একটা দু’টা বাস মতো গাড়ি কোথায় যেনো যাচ্ছে। তাও আবার হাত ভাঙা পা ভাঙা। ঢুস মেরে কারা যেনো নাক-মাথা চেপটা করে দিয়েছে। কান্না কান্না আওয়াজ। এ শহরের পথেঘাটে ঘোড়ার গাড়ি দেখা […]

বিস্তারিত পড়ুন

জীবনঘুড়ির আকাশ দেখা ।। সাজজাদ হোসাইন খান

চার. বাসার একটু দূরেই একটা টিলা মতো জায়গা, সেখানে বিশাল বিশাল গাছ। রবিঠাকুরের কবিতার মতো ‘তাল গাছ একপায়ে দাঁড়িয়ে। সব গাছ ছড়িয়ে। উঁকি মারে আকাশে।’ এখানকার গাছগুলো তালের নয়। শালবন, মোহাম্মদ আলী ভাই বলেছিলেন। বিকালটা কাটতো সেই শালবনে, প্রায় দিন। ঝরতো হলুদ পাতা মাথায়, শরীরে। বাতাস উড়িয়ে নিতো ঝরা পাতা। পূর্ব থেকে পশ্চিমে, কখনো উত্তর […]

বিস্তারিত পড়ুন

জীবনঘুড়ির আকাশ দেখা ।। সাজজাদ হোসাইন খান

ঘুম থেকে যখন জাগলাম দেখি ভিন্ন ঘর অন্য ছবি। হা করে আছে জানালা-কপাট। সেই পথে ঢুকছে বাতাস বাধাহীন। আম্মা গোছগাছ করছেন ছড়ানো ছিটানো জিনিসপত্র। আব্বা আর বড়মামা দূরে বারান্দায়। আমার অবাক চোখ। বাইরে যাচ্ছে বারবার ফিরে আসছে একঝুড়ি জিজ্ঞাসা নিয়ে। অপরিচিত দৃশ্য, অচেনা মানুষ। এরিমধ্যে হাঁটতে শিখে ফেলেছি। উঠানে যেতে চাইলাম, আম্মা আটকে দিলেন। দরজার […]

বিস্তারিত পড়ুন