সাঈদ চৌধুরী :
খেলাপি বিনিয়োগ ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা, প্রভিশন ঘাটতি ৮৫ হাজার ৮৮৬ কোটি; লন্ডনে প্রবাসী গ্রাহকদের জরুরি প্রতিবাদ সভা
এস আলম গ্রুপের ব্যাপক ঋণ অনিয়ম, বিপুল অঙ্কের খেলাপি বিনিয়োগ, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের সুশাসন সংকটে বিপর্যস্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী গ্রাহক ও আমানতকারীরা। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ব্যাংকটির ৩ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা লোকসান, খেলাপি বিনিয়োগ ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়া এবং প্রভিশন ঘাটতি ৮৫ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকায় পৌঁছানোর খবরে প্রবাসীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যাংকটির এই বিপর্যয়ের জন্য বক্তারা এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণকালীন ব্যাপক ঋণ অনিয়ম, কথিত অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ এবং সরকারি পর্যায়ে কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহির ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁরা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া এবং আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সোমবার (২ নভেম্বর ২০২৬) সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি মিলনায়তনে যুক্তরাজ্য ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী গ্রাহক পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক জরুরি প্রতিবাদ সভায় বক্তারা এসব দাবি জানান।

পরিষদের আহ্বায়ক গোলাম মুর্তুজা সিআইপির সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব মাহমুদুর রহমান সুমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আতাউর রহমান।

সভায় বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান, পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক বদরুজ্জামান বাবুল, ব্যারিস্টার আবদুর রউফ রুবেল, ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক কমিউনিটি নেতা সিরাতুল আম্বিয়াসহ পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আব্দুল লতিফ, ব্যবসায়ী জুবায়ের আহমেদ, আলি আহমেদ, আলমগির হোসাইন, যুবনেতা মুস্তাফিজুর রহমান শিপার, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সাংবাদিক মাহবুব খানসুর, আরিফুর রহমান, আবদুস সাত্তার ও নাসিরুদ্দিন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, একসময় দেশের অন্যতম লাভজনক ও শক্তিশালী বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে ব্যাংকটি ৩ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে। অথচ আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি প্রায় ১০০ কোটি টাকা মুনাফা করেছিল।
প্রকাশিত আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকেই ব্যাংকটির লোকসান হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ বছরের শেষ তিন মাসে লোকসানের পরিমাণ আরও বেড়েছে।
ব্যাংকটির আর্থিক প্রতিবেদনে বিনিয়োগ থেকে আয় কমে যাওয়া, বিপুল পরিমাণ খেলাপি বিনিয়োগ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং আমানতের বিপরীতে মুনাফা পরিশোধের ব্যয় বৃদ্ধিকে আর্থিক অবনতির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্যাংকটির সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে খেলাপি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর শেষে ইসলামী ব্যাংকের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ লাখ ৮১ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকটির মোট বিনিয়োগের অর্ধেকেরও বেশি এখন ঝুঁকির মুখে।
একই সময়ে ব্যাংকটির প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৮৫ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা। ব্যাংকিং খাতে সম্ভাব্য ঋণ ও বিনিয়োগজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় যে সংরক্ষিত অর্থ রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেই অর্থের ঘাটতি ব্যাংকটির আর্থিক দুর্বলতার গভীরতা তুলে ধরছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বিপুল পরিমাণ খেলাপি বিনিয়োগ ও প্রভিশন ঘাটতি ব্যাংকটির মূলধন, তারল্য এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
প্রতিবাদ সভায় ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকটের পেছনে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণকালীন ঋণ অনিয়মের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংকসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত এস আলম গ্রুপ নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ৬৬ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা খেলাপিতে পরিণত হয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণকালীন সময়ে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্রুপটির প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন উঠেছে। ঋণ অনুমোদন, জামানতের পর্যাপ্ততা, ঋণের সীমা লঙ্ঘন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল অর্থ বিতরণের অভিযোগও বিভিন্ন তদন্ত ও সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এস আলম সুপার এডিবল অয়েল ও সোনালী ট্রেডার্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঋণের বিপরীতে অপর্যাপ্ত জামানতের তথ্য তুলে ধরা হয়। উদাহরণ হিসেবে সোনালী ট্রেডার্সের প্রায় ৪ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে মাত্র ৩১৪ কোটি টাকার জামানতের তথ্য প্রকাশিত হয়।
এসব ঘটনা ব্যাংকের ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়া, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ এবং তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
ইসলামী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এস আলম এবং ব্যাংকটির সাবেক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ মোট ৬৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে ৯ হাজার ২৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং এর একটি অংশ সিঙ্গাপুরে পাচার করা হয়েছে। সুদ ও মুনাফাসহ সংশ্লিষ্ট অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৪৭৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
দুদকের তদন্তে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণে অনিয়ম, ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ স্থানান্তর, শেল কোম্পানির ব্যবহার এবং ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সফটওয়্যারে কারসাজির অভিযোগ উঠে এসেছে।
এ ছাড়া এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ আদায়ের জন্য মামলা ও সম্পত্তি নিলামের উদ্যোগ নেওয়া হলেও জামানতের পর্যাপ্ততা এবং আইনি জটিলতার কারণে অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক শুধু একটি ব্যাংক নয়; এটি বাংলাদেশের লাখ লাখ গ্রাহক, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও প্রবাসী বাংলাদেশির দীর্ঘদিনের আর্থিক আস্থার প্রতীক।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রায় ৫০ লাখ প্রবাসী গ্রাহকের আমানত ও আর্থিক স্বার্থ এই ব্যাংকের ভবিষ্যতের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। প্রবাসীরা তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠান পরিবার, ব্যবসা ও ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের নিরাপত্তার আশায়। অথচ ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার এমন অবনতি তাঁদের মধ্যে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
বক্তারা বলেন, তাঁরা ইসলামী ব্যাংকের পতন চান না। বরং ব্যাংকটিকে একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও আস্থাশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চান। এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণকালীন অনিয়ম ও ঋণ কেলেঙ্কারির প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটন, দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত এবং আত্মসাৎ হওয়া অর্থ উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
তাঁদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস হতে দেওয়া যায় না। আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দায়িত্ব।
প্রকৃত মালিকদের হাতে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি
সভা থেকে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকের আদর্শ, নীতি ও চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যোগ্য, দক্ষ, সৎ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, ব্যাংকটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় এমন ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিতে হবে, যাঁরা আমানতকারীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন এবং ব্যাংকিং খাতের পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবেন।
এ ছাড়া ব্যাংকের স্বার্থ, সুশাসন ও আমানতকারীদের অধিকার রক্ষায় এর আগে উত্থাপিত আট দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়।
প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—
১. ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।
২. ব্যাংকের আদর্শ ও নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন।
৩. এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণকালীন ঋণ অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করা।
৪. অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ।
৫. আত্মসাৎ ও পাচার হওয়া অর্থ এবং খেলাপি বিনিয়োগ উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
৬. যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের সব দেশে বসবাসরত প্রবাসী গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৭. ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ করা।
৮. ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম, সুশাসন ও আমানতকারীদের অধিকার নিশ্চিত করতে পূর্বঘোষিত আট দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকের এই সংকট কোনো একক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিপর্যয়ের বিষয় নয়; এর সঙ্গে দেশের ব্যাংকিং খাতের সুশাসন, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও জড়িত।
তাঁরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক বা গোষ্ঠীগত বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে আমানতকারীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যাংকের অর্থ যারা অনিয়মের মাধ্যমে নিয়েছে, তাদের কাছ থেকে অর্থ উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকটির ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও পেশাদার ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সভায় দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বক্তারা বলেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থের নিরাপত্তা, আমানতকারীদের অধিকার এবং ইসলামী ব্যাংকের অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় যুক্তরাজ্য ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী গ্রাহক পরিষদ তাদের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।
* সাঈদ চৌধুরী দৈনিক সময় ও মানব টিভি সম্পাদক, কবি ও কথাসাহিত্যিক

