ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে বলা হয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ পুনরায় প্রতিষ্ঠা করছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফারস নিউজ এজেন্সি, ইরানিয়ান স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সি এবং রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি— সবকটিই আইআরজিসি-এর এক বিবৃতি উদ্ধৃত করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রণালিটি “আগের অবস্থায়” ফিরে যাবে এবং ওই এলাকার নিয়ন্ত্রণ থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর হাতে।
এর আগে আমরা দেখেছি কিছু জাহাজ এই জলপথ দিয়ে যাতায়াত করেছে— তবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে মোট কতটা সামুদ্রিক যান চলাচল করতে পেরেছে, তা স্পষ্ট নয়।
আইআরজিসি-এর বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে “জলদস্যুতা”-র অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তাদের “তথাকথিত অবরোধ” আসলে সমুদ্রপথে জবরদস্তি চালিয়ে দখলের শামিল।
এর আগে ইরান জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ চালু রাখে, তাহলে তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেবে।
২৫ মিনিট আগেইরানের আকাশসীমা আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার খবর
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য ইরান আংশিকভাবে তাদের আকাশসীমা পুনরায় খুলেছে।
ইরনা জানায়, দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে— স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে দেশের আকাশসীমা ও একাধিক বিমানবন্দর পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং আজ থেকেই ধীরে ধীরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে।
তারা আরও জানায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য দেশের পূর্বাঞ্চলের ওপর দিয়ে আকাশপথ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানের আকাশসীমা বন্ধ ছিল। বিবিসি ও আলজাজিরা

