ভূমিকা
এক.
প্রতিটি দেশপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে নিজ দেশের উন্নয়ন দেখার তীব্র আকাক্সক্ষা কাজ করে। এই উন্নয়ন সামগ্রিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, নৈতিক, রাজনৈতিক সব।
আমার কাছে বাংলাদেশ কেবল একটি ভৌগোলিক স্থানের নাম নয়। এই দেশই ছোটোবেলা থেকে আমার জীবনের লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছে। এ দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধ পরিবেশে আমার বেড়ে ওঠা। তাই এর সামগ্রিক উন্নতি ও অগ্রগতি দেখার এক অদম্য মানস আমার সব সময় কাজ করত।
যদিও আমার বেড়ে ওঠা গ্রামীণ পরিবেশে, তবুও আমার পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক হিসেবেই গড়ে তুলেছে। এরপর ধীরে ধীরে যখন বড়ো হতে লাগলাম, জীবনের মানেটা বুঝতে শুরু করলাম, আমার কাছে মনে হলো- দেশপ্রেম আর অন্ধ জাতীয়তাবাদ কখনো এক নয়।
দুটি বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপ যেমন অন্ধ জাতীয়তাবাদ প্রদর্শন করেছে, এটিকে কখনো দেশপ্রেম বলা যায় না। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়। জন্ম নেয় পাকিস্তান নামের নতুন এক রাষ্ট্র। সেই পূর্ব পাকিস্তানে আমার জন্ম। একটি পাখিকে যেন দুই পাখার মাঝখান
থেকে ফেঁড়ে ফেলা হলো। এর একটি অংশ পশ্চিমে, আর আরেকটি পূর্বে। মাঝখানে রয়ে গেল ভারত।
এই পশ্চিম ও পূর্বাংশের মাঝামাঝিতে হাজার মাইলের ভারতীয় ভূখন্ড বিরাজ করছে। কেমন যেন ভারত কখনোই ভৌগোলিকভাবে পাকিস্তানের এই দুটি অংশকে এক থাকতে দেবে না।
এটিকে আমার কাছে একটি ষড়যন্ত্র বলেই মনে হয়। কেননা, ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে একই দেশের দুটি অংশে ভিন্ন রকম শাসনব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। আর এই ষড়যন্ত্রের প্রধান ক্রীড়নক হলো ভারত। তারা চেয়েছিল, তাদের সীমানাঘেঁষা পাকিস্তান অংশকে তারা অন্য অংশের সাথে মিলতে দেবে না।
তবে প্রথম দিককার ভারতীয় শাসকগোষ্ঠীরা তাদের এই মনোবাঞ্ছা লুকায়নি। তারা প্রকাশ্যেই তাদের এই ইচ্ছা ব্যক্ত করত। তবে এটা কার্যকর করার যাবতীয় প্ল্যান ছিল গোপন। তারা সর্বান্তঃকরণে চাইত, রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান যেন ফেল করে।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠী ভারতের এই সুপ্ত চক্রান্ত ও কর্মপন্থা ধরতে পারেনি। ফলে তারা শাসন ও পরিচালনায় অদূরদর্শিতা প্রদর্শন করতে থাকে। এরই ফলশ্রুতিতে ভারত ভঙ্গের মাত্র ২৪ বছরের মাথায় তাদের হারাতে হয় তাদেরই একটি ভূখণ্ড।
পাকিস্তানের সমস্যা ছিল, তাদের শাসকগোষ্ঠীরা ছিল মাথা গরম লোক। তারা ঠান্ডা মাথায় ভাবতে পারেনি। এরও কারণ কাছে।
পাকিস্তান পরিচালনার মূল চাবিকাঠি তখন ছিল সামরিক বাহিনীর হাতে। ফলে তারা বোকার মতো পূর্ব পাকিস্তানে আক্রমণ করে বসেছে। বোকা নয়তো কী?
বোকা না হলে নিজের শরীরের একটি অঙ্গের সাথে নিজেই কখনো শত্রুতা পোষণ করে নাকি? যাহোক, এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১-এ জন্ম নেয় আরও একটি স্বাধীন রাষ্ট্রÑবাংলাদেশ।
আগেই বলেছি, আমার বেড়ে ওঠা গ্রামে। কাজেই বড়ো বড়ো শহরগুলোতে রাজনীতিটা কতটা বোকামিপূর্ণভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তার কোনো খোঁজ আমার ছিল না। আমি যেই গ্রামে বড়ো হয়েছি, সেখানকার অধিকাংশই ছিল মুসলিম। কিছু নিচু বংশের হিন্দু অবশ্য ছিল। তবে অভিজাত ও বড়ো বংশের হিন্দুরা দেশভাগের আগেই ভারত চলে গিয়েছিল।
আমার শৈশব ছিল খুবই শান্তিপূর্ণ ও ভালোবাসাময়। আমার শৈশবের বিচরণক্ষেত্র ছিল অবাধ। আশপাশের সবাই আমার খুব যত্ন করত। ভালোবাসত আমাকে। দিগন্তজোড়া ধানখেতে আমি ছুটে বেড়াতাম। মাঝে মাঝে চলে যেতাম হলুদ সরিষাখেতে। আমার জন্য জীবনটা তখন ছিল একটা অ্যাডভেঞ্চার। প্রতিদিন দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে নতুন করে আবিষ্কার করতাম।
কিন্তু আমার বাবা-মায়ের জেনারেশনের জন্য জীবনটা এমন রঙিন ছিল না। কারণ, তাদের ব্রিটিশ শাসনের করাল গ্রাসের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে হয়েছে। কাজেই তাদের জীবনে হতাশা ও উপনেবিশকতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের একটি স্পষ্ট ছাপ বিদ্যমান ছিল।
আমার গ্রামের জীবনটা গড়ে উঠেছিল বাবা-মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও যত্নে। তাঁরা যত অসুবিধার মধ্যেই থাকুক না কেন, আমার প্রতি তাঁদের ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না।
বাবা-মায়ের পাশাপাশি আরও দুজন মানুষের দ্বারা আমার তখনকার জীবনটা ভীষণভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। একজন আমার প্রাইমারির শিক্ষক, আর আরেকজন আমার হাই স্কুলের শিক্ষক। প্রাইমারির সেই শিক্ষক ছিলেন মধ্যবয়সি একজন কট্টর হিন্দু। তিনি
তাঁর বেতনভুক্ত সময়ের বাইরেও আমাকে সময় দিতেন। তাঁর টার্গেট ছিল, আমি যেন ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পাই। কাজেই আমিসহ আরও কয়েকজন স্টুডেন্টকে তিনি আলাদা কেয়ার নিতেন।
আর হাই স্কুলের সেই শিক্ষক ছিলেন একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিম। চেহারা-সুরতে যেন একজন দরবেশ। তিনি চাইতেন, আমি যেন একজন পাঠক হয়ে বড়ো হই। বইয়ের সাথে যেন আমার এক ঘনিষ্ঠ সখ্য গড়ে ওঠে; সেজন্য তিনি যা যা করা দরকার, তা-ই করতেন। বরাদ্দ সময়ের বাইরেও সময় দিতেন আমাকে। এরই ফলশ্শ্রুতিতে আমি মাধ্যমিকের দরজা পেরোনোর আগেই একজন উৎসুক পাঠকে পরিণত হলাম।
এর মধ্যে আবার এসএসসি পরীক্ষা চলে এলো। এখানেও আমার ভালো ফলাফল ছিল। পুরো ঢাকা বোর্ডের মধ্যে বিশেষ সম্মানসহ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলাম।
দুই.
ছোটোবেলার স্মৃতি যতটুকু মনে পড়ে, আমাকে বাংলাদেশের ইতিহাস খুব টানত। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করে নিজের স্থানটুকু নিশ্চিত করে নেওয়া শক্ত-সমর্থ জনগণ নিয়ে আমার বেশ গর্ব হতো। ঔপনিবেশিক ষড়যন্ত্র এবং এর প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে গিয়েও এ দেশের জনগণ ভেস্তে যায়নি, এটা আমাকে খুব মুগ্ধ করে ছাড়ত।
শুধু কি ঔপনিবেশিক শাসন? এর পরেও তো এ দেশ বহু ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েছে। আমার বড়োরা এসব নিয়ে কথা বলতেন। আমি তন্ময় হয়ে শুনতাম। তারা বঙ্গভঙ্গের কথা বলতেন। বলতেন এর সাথে জুড়ে থাকা আশা ও আশা ভঙ্গের কথা।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হলো। সৃষ্টি হলো পাকিস্তান। আবার ভারতের মধ্যবর্তী অবস্থানের কারণে বঙ্গ নামের আরও একটি ভূখন্ড তৈরি হলো। এই অঞ্চলের মানুষ ভেবেছিল, এবার বুঝি তারা স্বাধীনতা ফিরে পাবে। কিন্তু না। পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের জন্য নিজস্ব জাতিসত্তা, ভাষা ও সংস্কৃতি ধরে রাখাটাই কষ্টের হয়ে দাঁড়াল। নিজ দেশে তারা শাসিত ও শোষিত হতে লাগল।
এর জের ধরে সংঘটিত হলো ৫২-এর ভাষা আন্দোলন। অনেক তাজা প্রাণ ঝড়ে পড়ল এই আন্দোলনে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে থেকে গেল। মানুষ যে নিজ সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য প্রাণ দিতে পারে, তার একটি নজির তৈরি হলো বিশ্বের বুকে।
বাংলাদেশের ইতিহাস ১৯৭১, ১৯৪৭ কিংবা ১৭৫৭ সালে শুরু হয়নি। এর গোড়া আরও পেছনে; অন্তত চার সহস্রাব্দ আগে। তখন এই ভূখন্ড বঙ্গ নামে পরিচিত ছিল। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারতীয় সভ্যতার কেন্দ্র ছিল এই বঙ্গভূমি। এটি বিখ্যাত ছিল এর সমৃদ্ধ বাণিজ্য, উন্নত কৃষিব্যবস্থা ও সাংস্কৃতিক চেতনার জন্য।
প্রথম দিককার বঙ্গভূমি মৌর্য ও গুপ্তদের মতো ক্ষমতাবান রাজবংশের উত্থান দেখেছে। ইসলামও এই বঙ্গ দেশে প্রবেশ করে শুরুর দিকেই; কিছু বণিক ও দরবেশের হাত ধরে। তবে বঙ্গভূমিতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩শ শতাব্দীর শুরুর দিকে। তখনই বাংলা সালতানাতের সৃষ্টি।
এই সালতানাত উপমহাদেশের অন্যতম সম্পদ ও সমৃদ্ধশালী জনপদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, যা পরবর্তী সময়ে গোল্ডেন বাংলা বা সোনার বাংলা হিসেবে প্রসিদ্ধি পায়।
বাংলা ইসলামি সংস্কৃতি ও শাসনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয় মধ্যযুগে। প্রথমে দিল্লি সালতানাত ও পরে বাংলা সালতানাত শাসন করে এই অঞ্চলকে। এই অঞ্চলের শিল্প, কৃষি ও ভাষার ব্যবহারে বাংলা ও ফারসির প্রভাব লক্ষণীয়।
ইউরোপীয় বিপ্লবের পর পশ্চিম ইউরোপীয় বণিকেরা ভারত অঞ্চলে প্রবেশ করতে শুরু করে। তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, এই অঞ্চলের সম্পদসমূহ হাতিয়ে নেওয়া। যাহোক, ১৬শ শতাব্দীর শেষের দিকে ও ১৭শ শতাব্দীর শুরুর দিকে এই বাংলা বাণিজ্য, টেক্সটাইল ও হস্তশিল্পে প্রভূত উন্নতি সাধন করে।
তখন এসবের মূল কেন্দ্র ছিল ঢাকা। ১৮শ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কপট রাজনৈতিক গেইম খেলতে শুরু করে এবং ১৭৫৭ সালে তথাকথিত পলাশির যুদ্ধে জয়লাভ করে। আর এরই হাত ধরে বাংলায় প্রবেশ করে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন। এটি ছিল বাংলার ইতিহাসের এক বিশাল মোড়। এর মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলের ইতিহাস দ্রুত বদলে যায়।
বড়ো হয়ে আমরা জানতে পারি, পরবর্তীকালীন বাঙালি শাসকদের অসারতা, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতারণা এবং বাঙালি শাসকগোষ্ঠীর মধ্যস্থিত কিছু কপটদের বিশ্বাসঘাতকতা। এইসব মিলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে দেশটাকে তুলে দিয়েছিল।
১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলা অসংখ্য দুর্যোগ ও মানবরচিত দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হয়। বাংলাসহ গোটা ইন্ডিয়াকে ব্রিটিশ রাজেরা ডিভাইড অ্যান্ড রুল থিওরি অবলম্বন করে শাসন করতে থাকে। এতে করে আমরা নিজেদের মধ্যেই বিভাজিত হয়ে পড়ি। দেখা দেয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল। আর মসনদে বসে বসে এর কল্যাণ(?) ভোগ করতে থাকে ব্রিটিশরা।
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মুসলমানরা হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় নিজেদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। এরই ফলশ্রুতিতে শুরু হয় পাকিস্তান আন্দোলন। মুসলমানদের জন্য একটি আলাদা ভূখণ্ডের দাবি করে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লিগ। এটিই ব্রিটিশ-ভারত ভাগের পর ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষে ভূয়সী অবদান রাখে।
কিন্তু ভারত থেকে আলাদা হলেও পাকিস্তানের মধ্যকার বিভাজন রয়েই যায়। বিশেষত এর পূর্বাঞ্চল (বর্তমান বাংলাদেশ) ও পশ্চিমাঞ্চল কখনোই এক হতে পারেনি; বরং দিনদিন এতদুভয়ের ফারাক আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এই ফারাক ধীরে ধীরে যুদ্ধে রূপ নেয়।
পূর্ব পাকিস্তানিরা নিজেদের রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা মনে করতে থাকে। তারা মনে করে, তাদের সব দিক থেকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে। তাদের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। আর এদিক থেকে তাদের এই যুদ্ধানুভূতিকে দমন করার জন্য পাকিস্তান কৌশলের বদলে ব্যবহার করে অস্ত্র। তারা এই অঞ্চলের গোটা জনগোষ্ঠীর ওপর সামরিক আক্রমণ চালায়।
ফলে তৈরি হয় ১৯৭১ এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পূর্বাঞ্চলের মানুষ পাকিস্তান থেকে পুরোপুরি আলাদা হয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে পূর্ব পাকিস্তানের নিজস্ব শক্তিতে তারা এই স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেনি। এটা সম্ভবও ছিল না।
ভারতীয় সামরিক হস্তক্ষেপ না থাকলে এই যুদ্ধে জয় লাভ করা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য স্বপ্নই থেকে যেত।
সব মিলিয়ে পূর্ব পাকিস্তান এখন স্বাধীন বাংলাদেশ। এরপরের ইতিহাস আমাদের সকলের জানা। স্বাধীনতা-উত্তর ৫৩ বছরের বাংলাদেশের ইতিহাস হলো ভারতীয় দাদাগিরির ইতিহাস। স্বাভাবিক। যারা নিজস্ব ইন্ধনের মধ্য দিয়ে আমাদের পাকিস্তান থেকে আলাদা হতে সাহায্য করল, তারা তো দাদাগিরি করবেই।
তবে গত ২০২৪ সালের আগস্টে এই ধারা ক্ষুণ্ণ হয়ে যায়। এই সময় ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের মুখে পড়ে ভারতঘেঁষা স্বৈর সরকার ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
(ধারাবাহিক চলবে)
ড. মুহাম্মাদ আবদুল বারী ব্রিটিশ বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, গ্রন্থকার ও প্যারেনটিং কনসালটেন্ট

