ইরানে যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায় তবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান। এদিকে শনিবার রাতেও আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে আন্দোলনকারীরা।
বিবিসির যাচাই করা ভিডিও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে দেখা যায়, বিক্ষোভের বিরুদ্ধে সরকার আরো কঠোর অবস্থানে গিয়েছে। এই আন্দোলন ইরানের প্রতিটি প্রদেশের একশটিরও বেশি শহর ও নগরে ছড়িয়ে পড়েছে।
আন্দোলনকারীদের নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলার হুমকি দিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান সংসদের স্পিকার যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায় তবে ইসরায়েলসহ ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও নৌ পরিবহন কেন্দ্রগুলো বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
এখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাসনের অবসান দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, যারা বিক্ষোভ করবে তাদের ‘এনিমি অফ গড বা প্রভুর শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এই অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
এদিকে, খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘একদল দুষ্কৃতকারী’ অভিহিত করে বলেছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে খুশি করতে এই আন্দোলন করছে।
শনিবার ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সহায়তা করতে প্রস্তুত’ যেহেতু ইরান ‘স্বাধীনতা চাইছে।’ বিবিসি

