যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালিতে তাদের আরোপিত অবরোধ অব্যাহত রাখে, তাহলে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
ইরানি সেনাবাহিনীর কমান্ড সেন্টার থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। বিবৃতিটি তাসনিম নিউজ এজেন্সিসহ একাধিক রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। তাসনিম ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি সংবাদ সংস্থা।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী যদি ওই অঞ্চলে সাগরে “অবরোধ, ডাকাতি ও জলদস্যুতা” অব্যাহত রাখে, তাহলে তারা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে “জবাবের মুখে পড়বে”।
উল্লেখ্য, ১৩ই এপ্রিল ইরানি বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়া সামুদ্রিক চলাচলের ওপর অবরোধ আরোপের পর যুক্তরাষ্ট্র একাধিক জাহাজ আটক করেছে।

যুদ্ধবিরতির বিষয়ে পাকিস্তানকে ‘মতামত’ জানাল ইরান
কিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বৈঠক করেছেন এবং এরপর এক বিবৃতিতে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ও প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরেছে তেহরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, বৈঠকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য “যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক অগ্রগতি” নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করার লক্ষ্যে আরাঘচি ইরানের নিজস্ব “অভিমত ও বিবেচ্য বিষয়গুলো” পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করেছেন। বৈঠকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন যে, মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
বৈঠক শেষে দেওয়া এক বিবৃতিতে আরাঘচি জানান, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কাছে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত সর্বশেষ অগ্রগতি এবং যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করার বিষয়ে ইরানের ‘নীতিগত অবস্থান’ ব্যাখ্যা করেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার পর চলমান আলোচনা প্রক্রিয়ার ওপর “আস্থা প্রকাশ” করেছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিবিসি ও রয়টার্স

