ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ গ্লোগানে মুখরিত যুক্তরাষ্ট্র

সাম্প্রতিক
শেয়ার করুন

ইরানে যুদ্ধসহ আগ্রাসী অভিবাসনবিরোধী নীতির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শনিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ গ্লোগানে মুখরিত যুক্তরাষ্ট্রের রাজপথ, জনপদ। সবচেয়ে বড় মিছিল হয়েছে নিউইয়র্ক, টেক্সাসের ডালাস, পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়া ও ওয়াশিংটনে।

ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে নেমেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিশিয়া জেমস, প্রবীণ রাজনীতিক আল শার্পটন প্রমুখ।

রবার্ট ডি নিরো বলেন, ট্রাম্পের আগে আর কোনো প্রেসিডেন্ট আমাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তাকে এতটা অস্তিত্বের সংকটে ফেলেননি।

মিনেসোটায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সও বলেন, আমরা এই দেশকে স্বৈরাচার বা অলিগার্কদের দিকে পতিত হতে দেব না। এ দেশে জনগণের শাসনই থাকবে।

এক জনসভায় মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালৎস বলেন, ট্রাম্প ও তাঁর নীতির বিরুদ্ধে তাঁরা যে প্রতিবাদ করছেন, সেটাই প্রমাণ করে- তাঁরাই যুক্তরাষ্ট্রের ভালো দিকগুলোর আসল শক্তি। ওয়ালৎস আরও বলেন, যারা আমাদের কট্টরপন্থী বলে অভিহিত করেন তারা একদম ঠিকই বলেন, আমরা কট্টরপন্থী, আমরা ঠিকই প্রভাবিত হয়েছি- নবিকতা দ্বারা প্রভাবিত, শালীনতা দ্বারা প্রভাবিত, ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত, গণতন্ত্র দ্বারা প্রভাবিত এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যা কিছু করা সম্ভব, তা করতে আমরা প্রভাবিত হয়েছি।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তৃতীয়বারের মতো ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। দেশটির প্রায় সব অঙ্গরাজ্যের ৩২০০টির বেশি জায়গায় লাখ লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। আগের দুটো বিক্ষোভেও কয়েক লাখ মানুষ ছিলেন।

গত বছরের জুনে প্রথমবার ‘নো কিংস’ বিক্ষোভের তুলনায় ছোট ছোট শহরগুলোতে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আয়োজকেরা দাবি করেছেন।

বিক্ষোভ মিছিলে অনেকেই নানা ধরনের পোস্টার উঁচিয়ে ধরেছিলেন। কারও কারও পোস্টারে রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেটির ছবি দেখা গেছে। এ বছর মিনিয়াপলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা এই দুজনকে গুলি করে হত্যা করেন। রয়টার্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *