রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটের পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১৩ জন নারী, পাঁচজন পুরুষ ও পাঁচ শিশু।
ভিডিও নিউজ : https://www.facebook.com/reel/1153030803515537
বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের ওই বাস দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। বাসটি তখন প্রায় ৬০ ফুট গভীরতায় ডুবে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি উদ্ধার কাজে অংশ নেন। সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতা করে চলেছেন।
উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে চেষ্টার পর বাসটিকে রাত বারোটার দিকে পানির উপরে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়। পরে এটাকে পদ্মা নদী থেকে পারে নিয়ে আসা হয়েছে। এই বাসে কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। ফলে আরো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশংকা করা হচ্ছে।
পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত
এদিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে কিভাবে পদ্মা নদীতে বাস পড়ে তলিয়ে গেছে সে ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ গতকালই জারি করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
পাঁচ সদস্যের এই কমিটির আহ্বায়ক হয়েছেন রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন রাজবাড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল হক, বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা। গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

