রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবায় যুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) ঢাকায় বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানান।

বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা দেশের অ্যাভিয়েশন খাতের উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বর্তমান সরকারের সঙ্গে সব ধরনের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
সারাহ কুক আরও জানান, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক অ্যাভিয়েশন হাবে পরিণত করার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য পাশে থাকতে আগ্রহী। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যুক্তরাজ্যের অংশগ্রহণ শুধু গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবার মান বাড়াবে না, বরং বাংলাদেশের অ্যাভিয়েশন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
সুত্র মতে, শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল আন্তর্জাতিক মানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা প্রদানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হতে পারে। যুক্তরাজ্যের অংশগ্রহণ এ খাতের জন্য প্রযুক্তি, দক্ষ জনশক্তি ও ব্যবস্থাপনার মান বৃদ্ধি করবে। এছাড়া, বাংলাদেশের অ্যাভিয়েশন খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আরও উৎসাহী হবেন। এ ধরণের উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচলের মান উন্নত করবে।

