অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ করেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তালিকা প্রকাশ করেন।
দেশে এই মুহূর্তে প্রকৃত খেলাপি ব্যাংকঋণের পরিমাণ কত, শীর্ষ ২০ খেলাপি কারা, খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সংসদ সদস্যদের ব্যাংকঋণ এবং খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত? জাতীয় সংসদে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তালিকা প্রকাশ করেন।
শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠান হলো-
১. এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড
২. এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড
৩. সালাম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
৪. এস. আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড
৫. সোনালী ট্রেডার্স
৬. বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড (বেক্সিমকো)
৭. গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড
৮. চেমন ইস্পাত লিমিটেড
৯. এস. আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড
১০. ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
১১. কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড
১২. দেশবন্ধু সুগার মিলস লিমিটেড
১৩. পাওয়ারপ্যাক মুতিয়ারা কেরানীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড
১৪. পাওয়ারপ্যাক মুতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড
১৫. প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড
১৬. কর্ণফুলী ফুডস (প্রা.) লিমিটেড
১৭. মুরাদ এন্টারপ্রাইজ
১৮. সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড
১৯. বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড
২০. রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেড
অর্থমন্ত্রী আরো জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থিতিভিত্তিক ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। বতর্মান সংসদ সদস্য ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক এবং ফাইন্যান্স কোম্পানিতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি হিসেবে দেখানো হয়নি।

