খ্যাতিমান দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পটিয়া আল জামিয়া আল ইসলামিয়ার মহাপরিচালক, বরেণ্য আলেমে দ্বীন মাওলানা আবু তাহের কাসেমী নদভী সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) বেলা ১টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লা-হি ওয়া ইন্না-ইলাহি রা-জিউ’ন। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, এক মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন ও বিপুল সংখ্যক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় মাদরাসা প্রাঙ্গণে আল্লামা নদভীর জানাজা শেষে মাকাবায়ে আজিজিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। আল্লামা আবু তাহের কাসেমী নদভীর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।
শোকবাণীতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের প্রাচীনতম দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার মুহতামিম ও শায়খুল হাদিস মাওলানা আবু তাহের কাসেমী নদভীর ইন্তিকালে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৫ সালের অক্টোবরে তিনি আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং মাদরাসার অধীন বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধান করেন।
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, মাওলানা আবু তাহের কাসেমী নদভী ছিলেন আলেম-উলামা ও তৌহিদী জনতার প্রিয় রাহবার। তাঁর ইন্তিকালে দেশের ইসলাম প্রিয় জনতার মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি সারা জীবন ইসলামের খেদমত করে গিয়েছেন। দেশে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার ও প্রসারে তাঁর অনেক ভূমিকা রয়েছে। তিনি বহু আলেমের উস্তাদ। ইলমে দ্বীনের খেদমতের জন্য এ দেশের মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। তাঁর ইন্তিকালে জাতি একজন খ্যাতিমান আলেমে দ্বীনকে হারাল। আমি তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাক্সক্ষী, সহকর্মী ও ছাত্রদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

