প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পাম বিচে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ‘ঐকমত্যের বড় জায়গা’ তৈরি হয়েছে। এয়ার ফোর্স ওয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন যে, (ইরানের সাথে) আলোচনা ‘খুবই কার্যকর’ হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়ায় তার উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার যুক্ত ছিলেন।
আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, “দেখা যাক আলোচনা কোন দিকে যায়।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের মধ্যে ঐকমত্যের বড় জায়গা রয়েছে, এবং আমি বলব যে প্রায় সব বিষয়েই আমরা একমত হয়েছি।”
মি. ট্রাম্প বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তির’ সাথে কথা বলছে, তবে তিনি নতুন সর্বোচ্চ নেতা নন। এরপর তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা জানি না তিনি (সর্বোচ্চ নেতা) বেঁচে আছেন কী-না।”
এদিকে, ইরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র বরাত দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন – তেহরান ওই আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে যে সমঝোতার আলোচনার কথা বলেছেন, তা সঠিক নয়।”
ইরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে পাঁচ দিনের জন্য দেশটির বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন – তেহরান ওই আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে যে সমঝোতার আলোচনার কথা বলেছেন, তা সঠিক নয়।”
বিবিসির মার্কিন পার্টনার সিবিএস নিউজকে উদ্ধৃত করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, “ইরান তার অবস্থানে অটল রয়েছে, আর তা হলো যুদ্ধের মাধ্যমে ইরানের লক্ষ্যসমূহ অর্জিত হওয়ার আগে যেকোনো ধরনের আলোচনা প্রত্যাখ্যান করা।”
এর আগে ইরানের স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক এসএনএন, ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন’-এর সাথে যুক্ত একটি সংবাদ সংস্থা, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি ‘বেনামী সূত্র’কে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে যে, ‘আলোচনার খবর অস্বীকার’ করেছে দেশটির সরকার।
এবং হরমুজ প্রণালি ‘আক্রমণকারীদের জন্য বন্ধ’ই থাকবে বলে জানিয়েছে এসএনএনের ওই খবর। যদিও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের নাম প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে, আইআরজিসির সাথে সংশ্লিষ্ট ফার্স এবং তাসনিম সংবাদ সংস্থাও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে একই ধরনের খবর প্রকাশ করেছিল।
ফার্স জানিয়েছে যে, “ট্রাম্পের সাথে (ইরানের সরকারের) প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো যোগাযোগ” হয়নি এবং তিনি অর্থাৎ মি. ট্রাম্প “পিছিয়ে গেছেন”। অন্যদিকে, তাসনিম জানিয়েছে যে “কোনো আলোচনা” হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত নাম প্রকাশ করে কোনো ইরানি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্রাম্প-ইরান আলোচনা সম্পর্কে যুক্তরাজ্য জানত: স্টারমার
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে আলোচনা চলছিল, সে বিষয়ে যুক্তরাজ্য অবগত ছিল। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্য উত্তেজনা হ্রাস এবং ‘যত দ্রুত সম্ভব’ সংঘাতের অবসান দেখতে চায়। “সেই লক্ষ্যে, আমি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া আলোচনার খবরকে স্বাগত জানাই,” যোগ করেন মি. স্টারমার।
তিনি আরো বলেন, “একটি আলোচনার মাধ্যমে হওয়া চুক্তিতে” ইরানের ওপর “কঠোর শর্ত আরোপ করা উচিত, বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে”। বিবিসি

