নারী নির্যাতন বন্ধে বিচার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো দরকার: নূরুন্নিসা সিদ্দীকা

বাংলাদেশ সাম্প্রতিক
শেয়ার করুন

নারী নির্যাতন বন্ধে বিচার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো দরকার বলে মনে করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। এ সময় তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনের জোর দাবি জানান।

৮ মার্চ রোববার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সমাজ কল্যাণ বিভাগীয় সেক্রেটারি খন্দকার আয়েশা সিদ্দিকা। আলোচনা সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য তালিমুল কুরআন বিভাগীয় সেক্রেটারি ইরানী আক্তার।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আইন ও মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য উম্মে খালেদা জাহান, শিক্ষিকা ফাতিমা আক্তার হ্যাপি এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন হলি ফ্যামেলি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফিজিওলজি ডিপার্টমেন্টের হেড ডা. নাজনীন আক্তার, সাবেক কাউন্সিলর আমেনা বেগম।

জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি তার বক্তব্যে কিছু নারিবাদী সংগঠনের সমালোচনা করে বলেন, বোরকা পরা মুসলিম নারী সহিংসতার শিকার হলে তারা প্রতিবাদী হন না বরং নির্দিষ্ট শ্রেণীর নারীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেন। তিনি নারী ইস্যুতে সকল নারীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় মুখ্য বক্তা মহিলা বিভাগের আইন ও মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নি তার বক্তব্যে বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের ভারসাম্য আনতে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন জরুরি। এ সময় তিনি নারী নির্যাতনের তথ্য উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষাব্যবস্থাসহ সমাজের সকল ক্ষেত্রে অনৈতিক পরিবেশ নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়াচ্ছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি খন্দকার আয়েশা সিদ্দিকা নারী অধিকার রক্ষায় সকল শ্রেণীপেশার নারীদের সচেতনতা জরুরি বলে মন্তব্য করেন। আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদসহ রাজধানীর বিভিন্ন শ্রেণীপেশার নারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনার মাঝে আবৃত্তি করেন কাজী তাবাসসুম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মারজান হীরা। সবশেষে দোয়া পরিচালনার মধ্যে দিয়ে আলোচনা শেষ হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য রোজিনা আক্তার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *