প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে ভয়ভীতি দেখানো ও মানহানির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন গ্রহণ করে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছে।
রমনা থানা বিএনপির সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. আমিরুল ইসলাম আমির।
বাদী আশরাফুল ইসলাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি নিয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিপুল ভোটে হেরে যান। আসামি নির্বাচনের সময় এবং বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে আসছেন। বিপুল ভোটে হেরে যাওয়ার পরও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচন বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে মিথ্যা মানহানিকর বক্তব্য ও বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছেন। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বাদী দেখেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মানহানিকর বক্তব্য কয়েকটি অনলাইন নিউজ মিডিয়াতে এসেছে। বাংলাদেশ ক্রিমিনাল র্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার ‘মির্জা আব্বাস’ – এই বক্তব্যগুলো অত্যন্ত মানহানিকর ও নিন্দনীয় কাজ। এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুন্ন করা হচ্ছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামির এসব বক্তব্য ফেসবুকে দেখে বাদী ও মির্জা আব্বাস বিস্মিত হয়েছে। বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী এসব বক্তব্য দেখেছেন। উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক বাদী ও মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য মিথ্যা, বানোয়াট বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে সব প্রকার শিষ্টাচার, সভ্যতার রীতিনীতি বহিঃভূত এবং মানহানিকর বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।

