বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুষ্টিয়া জেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম একটি প্রোগ্রামে বক্তব্য প্রদানের সময় ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)।
আজ (১৯ জানুয়ারি) এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কিছুক্ষণ পর বিকেল সোয়া ৪ টায় ইন্তেকাল করেন। এ সময় তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র ও ১ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন।
আগামীকাল ২০ জানুয়ারি সকাল ৯টায় হাউসিং ডি ব্লক, চান্দা গাড়া ঈদগাহ ময়দানে ১ম জানাযা এবং বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর ফুটবল মাঠে ২য় জানাযা শেষে তাঁকে মিরপুর ওয়াপদা কবরস্থানে দাফন করা হবে।
আমীরে জামায়াতের শোকবাণী
অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম এর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ১৯ জানুয়ারি এক শোকবাণী প্রদান করেছেন।
শোকবাণীতে তিনি বলেন, অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম একজন আদর্শবান, নিষ্ঠাবান ও সংগ্রামী ইসলামী ব্যক্তিত্ব। দ্বীনের পথে তাঁর অবদান, ত্যাগ ও নেতৃত্ব সংগঠনের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি দ্বীনের কাজে নিয়োজিত থেকে দুনিয়ার সফর শেষ করলেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই ইসলামী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন। তাঁর ইন্তিকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ দাঈকে হারালাম। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তাঁর অনেক অবদান রয়েছে। আমি তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
শোকবাণীতে তিনি আরও বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁর জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।

