বেলকনির গোলাপ ফুল এবং মায়ের হাতের পিঠা ।। আকবর হোসেন

শীত আসলে বিলেতে গাছের পাতা ঝরে। ফুল ফুটেনা, ভোমর আসেনা। সুভাষে সুশোভিত হয়না আশপাশ। সামারে আবার সব যেনো জীবন ফিরে পায়। কিন্তু আমাদের বেলকনির গোলাপ ফুলটি এখনো বেঁচে আছে। ঠান্ডা গেলো, ঝড় তুফান গেলো, তাতে কী! ছোট্ট গোলাপটি এখনো সজীব আছে, সুভাষ ছড়াচ্ছে। কী আশ্চর্য্য! আমি এই একটিমাত্র ফুলের সৌন্দর্যে ভীষণ মুগ্ধ। প্রায় প্রতিদিন দেখা […]

বিস্তারিত পড়ুন

আবু আলীর ভ্রমণবিষয়ক বই ‘প্যারিস থেকে হামবুর্গ’

সাংবাদিক আবু আলীর ভ্রমণবিষয়ক বই ‘প্যারিস থেকে হামবুর্গ’। বইটি শুধুই ভ্রমণবৃত্তান্ত নয়, আরও অনেক কিছু। এর পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় বিধৃত রয়েছে ইউরোপের তিনটি দেশের দর্শনীয় স্থানের ভ্রমণসংক্রান্ত চিত্তাকর্ষক তথ্য এবং সুচারু চিত্রাবলি। ‘প্যারিস থেকে হামবুর্গ’ গ্রন্থে লেখক ইউরোপের তিনটি দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের বিবরণ তুলে ধরেছেন, যা সংক্ষিপ্ত কিন্তু সুখপাঠ্য। যারা ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড এবং জার্মান ভ্রমণে […]

বিস্তারিত পড়ুন

আমাকে ক্ষমা করো প্রভু ।। আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু

কনফারেন্স প্যালেস, জেদ্দা ১৩ অক্টোবর, ১৯৯০ আমার জেদ্দা সফরের আমন্ত্রণ আকস্মিক ছিল। তিনদিন আগে বিকেলে অফিসে এসে শুনলাম, কুয়েত দূতাবাস থেকে আমার পাসপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। একজনের হাতে পাসপোর্ট পাঠিয়ে দিয়ে সৌদি দূতাবাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ আবদুল হালিমকে ফোন করলাম। তিনি জানালেন, জেদ্দায় কুয়েতিদের একটি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হচ্ছে, আমাকে সেখানে অ্যাটেন্ড করতে হবে। ঢাকার আরো […]

বিস্তারিত পড়ুন

ভারতের বিস্মৃত স্বাধীনতা সংগ্রামী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ

লেখক: খুশবন্ত সিং অনুবাদ: আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের প্রাক্কালে লক্ষ লক্ষ মুসলিম তাদের বাড়িঘর, সম্পত্তি ত্যাগ করে পাকিস্তানে যেতে বাধ্য হচ্ছিল, হিন্দু-শিখ বনাম মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গায় যখন হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হচ্ছিল এবং বাধ্য করা হচ্ছিল অসংখ্য মানুষকে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় গ্রহণ করতে। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, যিনি ধর্মের ভিত্তিতে ভারতকে […]

বিস্তারিত পড়ুন

ফারুকের ‘স্মৃতিতে হুমায়ূন আহমেদ’

শব্দের জাদুকর প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এর স্মৃতি নিয়ে বই লিখেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা ফারুক আহমেদ। প্রায় দুই যুগের বেশি সময় হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অনেক স্মৃতি জমে ছিল মনের কঠোরে। সেই স্মৃতিগুলোকে সবার মাঝে বিলিয়ে দিতে এবার বই আকারে তা প্রকাশ করেছেন ফারুক আহমেদ। বইটির নাম দিয়েছেন ‘স্মৃতিতে হুমায়ূন […]

বিস্তারিত পড়ুন

আমার স্কুল । আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু

ছবি দুটো আমার স্কুলের। একটি আমার সময়ের প্রধান শিক্ষকের। স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯১৯ সালে। ওই বছরই অবসান ঘটেছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের। বিশ্ব শান্তির স্মারক হিসেবে শেরপুরের জমিদার গোবিন্দ কুমার চৌধুরী স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। স্কুলের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল “গোবিন্দ কুমার পিস মেমোরিয়াল ইন্সটিটিউশন” সংক্ষেপে “জিকেপিএম ইন্সটিটিউশন” আমরা এবং এলাকার লোকজন আরও সংক্ষিপ্ত আকারে বলতাম “জিকে স্কুল।” স্কুলটির […]

বিস্তারিত পড়ুন

আমার ছড়াকার হওয়ার নেপথ্যে এক মাতালের ভূমিকা, ডিজেল মেরা লাল হ্যায়… | লুৎফর রহমান রিটন

আমার মধ্যে ছড়াচেতনা এবং ছন্দ দ্যোতনা সৃষ্টিতে বিশিষ্ট এক মাতালের ভূমিকাকে আমি স্মরণ না করে পারি না। আমি তখন খুব ছোট। প্রাইমারী স্কুলে আসা যাওয়া শুরু করেছি সবে। থাকি হেয়ার স্ট্রিট, ওয়ারিতে। আমাদের বাড়িটা এমন এক জায়গায় যার ডানে এবং বাঁয়ে মুচিদের (রবিদাস সম্প্রদায়) টানা বস্তি। মাঝখানে আমাদের বাড়িটাই শুধু ইটের দালান। সেই বস্তিতে থাকা […]

বিস্তারিত পড়ুন

সুন্দরবনে বাঘের মুখোমুখি । ফরিদী নুমান

সুন্দরবনে বাঘের ছবি তোলা বন্যপ্রাণী বিষয়ক আলোচিত্রীদের কাছে স্বপ্ন। ২০২২ সালের ৩১ মার্চ আমার সে স্বপ্ন প্রথমবারের মতো পূরণ হয়েছে। সাবাই জানেন এবং বুঝতে পারেন, সুন্দরবনে বাঘের ছবি তোলা জীবনের ঝুঁকি নেয়া একটি চ্যালেঞ্জিং জব। বাঘের ছবি তুলতে গিয়ে আমার যে উপলব্ধি হয়েছে আজ সেটা বলতে চাচ্ছি। প্রথমেই বলে নেই, আমার মতে বাঘের ছবি তোলার […]

বিস্তারিত পড়ুন

বেহেস্তি আবহে হাজরে আসওয়াদ । সাঈদ চৌধুরী

রহমতের বারিধারা বেষ্ঠিত চতুষ্কোণ বিশিষ্ট পবিত্র কাবাগৃহ তাওয়াফ শুরু করার সময় প্রাণস্পন্দন বেড়ে যায় হাজরে আসওয়াদকে ঘিরে। সমবেত জনতার স্রোতের ভেতর থেকে আস্তে আস্তে কাছে চলে আসি। একজন প্রহরী অনন্য ভালোবাসায় আরও কাছে আসার সুযোগ করে দেন। এমন সহজে সেখানে পৌঁছতে পেরে মহান মাবুদের কাছে কায়মনো বাক্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। হাজরে আসওয়াদে চুমু খেয়ে অন্তরাত্মায় […]

বিস্তারিত পড়ুন

অরণ্যে-মাজারে-মন্দিরে (দুই) । সাঈদ চৌধুরী

প্রাতঃভ্রমণে প্রতিদিন রংধনু থেকে লাক্কাতুরা ও মালনীছড়া চা বাগানের প্রান্তসীমা ঘুরে আসি। লাক্কাতুরা চা বাগান সিলেট শহরের বিমান বন্দর সড়কে মনোলোভা পরিবেশে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম চা বাগান। ইংরেজ সাহেব হার্ডসনের হাত ধরে ১৮৫৪ সালে ১৫০০ একর জায়গা জুড়ে প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে অবশ্য বেসরকারি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের আনন্দ ভ্রমণ আর উচ্ছল সময় কাটানোর প্রথম […]

বিস্তারিত পড়ুন